ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যমুনা পাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জে নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জেলার মোট ৯২৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৫৯টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭৮টি কেন্দ্র বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া জুলাই আন্দোলনের সময় এনায়েতপুর ও হাটিকুমরুল থানা থেকে লুট হওয়া ১০টি চাইনিজ রাইফেল, ১২টি পিস্তল, ৬টি শর্টগান ও ৫ শতাধিক রাউন্ড গুলির মধ্যে ২৮টি অস্ত্রের ১৪টিই এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ভোটারদের দাবি, দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার করে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হোক। সচেতন মহলও মনে করছে, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচনি সহিংসতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে। বাসদ আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার এবং সাবেক পুলিশ উপ-মহাপরিদর্শক খান সাঈদ হাসানও একই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
তবে প্রশাসন আশ্বস্ত করছে যে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু ও জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
জেলাবাসীর আহ্বান, জনআতঙ্ক দূর করতে দ্রুত লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করে নির্বিঘ্ন নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।
ডিবিসি/এএমটি