দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে সিলেটের মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জীবনের বড় একটা সময় পর তার এই ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ এবং দেশের মাটিতে প্রথম স্পর্শ সিলেটে হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার আবেগ ও উচ্ছ্বাস। সিলেটে ছোট যাত্রাবিরতিতে দলীয়ভাবে বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতার সুযোগ না থাকলেও উষ্ণ অভ্যর্থনা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষ এবং প্রান্তিক চা শ্রমিকদের প্রত্যাশাও এখন তুঙ্গে। শকুন্তলা, চম্পাকলি, সুহাসিনীদের মতো চা শ্রমিকরা জীবনভর হাড়ভাঙা খাটুনির পরও মজুরি বা জীবনমানের পরিবর্তন দেখেননি। সরকার বদল হলেও তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি। তবে নতুন সময় ও নতুন নেতৃত্বের আগমনে তাদের সেই আক্ষেপ ঘুচবে বলে আশা করছেন তারা। বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের নির্বাচনি কর্মযজ্ঞে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং প্রান্তিক মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী এবং সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানান, আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও নেতাকর্মীদের উৎসাহে কোনো কমতি নেই। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জোর তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এসএমপি’র এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এখন শুধু অপেক্ষার পালা।
ডিবিসি/আরএসএল