সীমান্তবর্তী নদীগুলো নিয়ে সামনে সুসংবাদ আসছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শুক্রবার বিকেলে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা সদরের ময়নাপতির চর এলাকায় করতোয়া নদীতে টি-বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারতের সাথে ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এসব নদী নিয়ে ইতিমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং আলাপ-আলোচনা অব্যাহত আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অল্প দিনের ভেতরেই এ বিষয়ে সুসংবাদ পাওয়া যাবে। অতীতের সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে দেশকে মরুভূমি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশে রূপান্তর করা হবে।
গঙ্গা ও তিস্তা চুক্তির অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। চুক্তিটি পুনরায় বাস্তবায়ন এবং এর মাধ্যমে আরও কোনো সুযোগ-সুবিধা আদায় করা যায় কি না, তা নিয়ে প্রযুক্তিগত পর্যায়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি তিস্তা নদী নিয়েও সংশ্লিষ্ট দল কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার আপনাদের মোটা অঙ্কের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। আপনাদের সম্পর্কে মানুষের যে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, তা দূর করে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করাই এখন আমাদের প্রথম চ্যালেঞ্জ।
পানি ভবনের কাজের ধরন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, কেবল বর্ষা এলেই বোল্ডার ফেলা হবে এবং বর্ষা শেষে তা আর থাকবে না- এমন পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, জলাশয় এবং খাল খনন করা হবে, যার প্রথম ধাপের কাজ ঈদের আগেই শুরু হবে।
ডিবিসি/আরএসএল