আন্তর্জাতিক

সুইসাইড ড্রোন দিয়ে মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

আমেরিকান ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ইরানের চলমান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইসলামি বিপ্লবি গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-শাখা। যুদ্ধক্ষেত্রে আইআরজিসি নেভির ব্যবহৃত আত্মঘাতী ড্রোন বা ‘সুইসাইড ড্রোন’ বর্তমানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর আক্রমণে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

মঙ্গলবার যুদ্ধের চতুর্থ দিনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। আইআরজিসি-র অ্যারোস্পেস ফোর্স (আকাশ প্রতিরক্ষা শাখা) এবং নেভির (নৌবাহিনী) মধ্যে সুনির্দিষ্ট কার্যবণ্টন করা হয়েছে। বর্তমান রণকৌশল অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আক্রমণের মূল দায়িত্ব এখন আইআরজিসি নৌবাহিনীর ওপর ন্যস্ত।


গত চার দিনের প্রবল লড়াইয়ের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো রক্ষায় মোতায়েন করা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense) ইরানি ড্রোন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমেরিকার জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ইরান তার সামরিক এজেন্ডায় আত্মঘাতী ড্রোনকে শত্রু দমনের জন্য একটি কার্যকর এবং সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আইআরজিসি নেভির ভাণ্ডারে এই ধরণের ড্রোনের বিশাল মজুত রয়েছে। বিশেষ করে- ১৪ ও ১৫তম ধাপের হামলায় আইআরজিসি-র সর্বশেষ এই দুটি বড় অপারেশন সরাসরি নৌবাহিনী পরিচালনা করেছে। দক্ষিণ পারস্য উপসাগরীয় এলাকার সামুদ্রিক ফ্রন্ট এবং সেখানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে এ ড্রোন লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নত করছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, কম খরচে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত করতেই ইরান এই ড্রোন সক্ষমতাকে যুদ্ধের সম্মুখভাগে নিয়ে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্য উপসাগরের ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে।


সূত্র: তাসনিম


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন