আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ খাত থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শুক্রবার বিকেলে যশোর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) আয়োজিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ (টিওটি) প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী গ্রীষ্মের আগেই যারা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকারের কাছে বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। সরকার প্রতি ইউনিট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনে নেবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তারা সমন্বিতভাবে কাজ করলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। গ্যাস বা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রকল্প প্রণয়ন ও অনুমোদনসহ নানা জটিল ধাপে প্রচুর সময় এবং বিপুল অর্থের প্রয়োজন পড়ে। তার বিপরীতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ও ব্যয় দুটোই অনেক কম লাগে। ফলে খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এই খাত থেকে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো এবং টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে সৌরবিদ্যুৎ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
যশোর টিটিসির প্রিন্সিপাল প্রকৌশলী গাজী ইকফাত মাহমুদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজন সরকার এবং ইওয়াই বাংলাদেশের অ্যাসোসিয়েট ভাইস প্রেসিডেন্ট নাঈমুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
ডিবিসি/হাদী