প্রাকৃতিক সম্পদ, পর্যটন, ভোমরা স্থলবন্দর এবং চিংড়ি শিল্পের অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা সাতক্ষীরা আজও চরম উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এই জনপদে দৃশ্যমান কোনো বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। সীমান্ত ঘেঁষা এই জেলার উপকূলীয় দুই দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা ও পদ্মপুকুরে নেই কোনো পাকা রাস্তা বা স্বাস্থ্যসেবা, এমনকি বিশুদ্ধ পানির সংস্থানও নেই সেখানে।
জেলার ৮০ শতাংশ সড়ক এখনও অনুন্নত অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুরের মানুষকে প্রতিদিন কাদা-পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে চলাচল করতে হয়।
স্থানীয়দের মতে, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এবং 'হোয়াইট গোল্ড' খ্যাত চিংড়ি ও কাঁকড়া শিল্পের কারণে সাতক্ষীরার সম্ভাবনা সীমাহীন। ভোমরা স্থলবন্দর থেকে সরকার বিপুল রাজস্ব পেলেও ভঙ্গুর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আধুনিক পর্যটন অবকাঠামোর অভাবে এসব সম্ভাবনার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না।
শ্যামনগরের সদ্য বিদায়ী ইউএনও মোছা. রনি খাতুন এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ মনে করেন, উপকূলীয় বেড়িবাঁধ, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে সাতক্ষীরা জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে। সম্ভাবনাময় এই জেলাকে এগিয়ে নিতে সরকারের কাছে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরাবাসী।
ডিবিসি/ এইচএপি