রোজায় খাদ্যাভ্যাসের দিকে বেশি নজর দেয়া উচিৎ। সারাদিন রোজা থাকার পর এমন কিছু খাবার গ্রহণ করা উচিৎ যা দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায় ও বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে। তাই ইফতারে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজজাতীয় খাবার দরকার।
রোজায় দীর্ঘ সময় পর ইফতার করতে হয় বলে খাবারটা হতে হবে সহজপাচ্য ও কম তেল-মসলাযুক্ত খাবার। কারণ, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে গুরুপাক ও ভারী খাবার খেলে হজমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ইফতারের সময় ভরপেটে না খেয়ে, পেটের এক-চতুর্থাংশ খালি রেখে খাবেন।
জেনে নিন ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে কী খাবেন:
- একটি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন
- এরপর বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করুন অল্প অল্প করে
- এক গ্লাস ঘরে বানানো ফলের শরবত / লেবুপানি / ডাবের পানি/ স্যালাইন খেতে পারেন
- খেজুর, কচি শসা, পেঁয়াজু ও বুট খেতে পারেন
- প্রচুর সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া উচিত
- টক দই দিয়ে লাল চিড়া, ওটস, বার্লি খেতে পারেন
- রুচি অনুযায়ী বাসায় রান্না করা নুডুলস বা পাস্তা খেতে পারেন
- দুধের সঙ্গে ফল, সাগুদানা ও সুজি দিয়ে ফালুদা বানিয়ে নিতে পারেন
- কেউ চাইলে ইফতারেই রাখতে পারেন রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম
- তারাবির নামাজের পর পরিমাণ মতো ভাত, মাছ অথবা মুরগির মাংস, ডাল ও সবজি খাওয়া যাবে
- ইফতার ও সেহরি সময়ের মধ্যে থেমে থেমে অন্তত পক্ষে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে

কী খাবেন না:
- অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবার, যেমন পেঁয়াজু, বেগুনি, বেসন দিয়ে তৈরি চপ
- অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা কৃত্রিম জুস
- হালিম, তেহারি, বিরিয়ানি, কাবাব
- অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য
- চিনিযুক্ত খাবার
- এনার্জি ড্রিংক, কার্বনেটেড ড্রিংক এবং সোডা জাতীয় পানীয়