বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

হত্যার পর মরদেহ গুম: পিরোজপুরে ছেলের যাবজ্জীবন ও মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুর প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ৮ বছর আগে হত্যার পর মোটরসাইকেল চালকের মরদেহ গুমের ঘটনায় ছেলের যাবজ্জীবন ও মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. তাজিম (২৮) এবং স্ত্রী রেহানা বেগম (৫০)

 

তাদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালককে হত্যার দায়ে ছেলে তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মৃতদেহ গুমের দায়ে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, আনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়। রায় ঘোষণার সময় রেহানা উপস্থিত থাকলেও, তার ছেলে পলাতক রয়েছে।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলনকেসহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেয় তাজিম ও আরেক যুবক। এরপর রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলনকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটিক ট্যাংকের মধ্য থেকে নিহত মিলনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় মৃতদেহটি গুম করেছিল।

 

এ ঘটনার পর ৫ জনকে আসামি করে নিহত মিলনের বাবা শাহাদাত বাহাদুর ওই দিন নেছারাবাদ থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রায় ঘোষণার সময় বিচারক অন্য দুই অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যহতি দেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল কালাম আকন জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত এই রায় দিয়েছেন।

 

ডিবিসি/ এইচএপি  

আরও পড়ুন