আন্তর্জাতিক

হরমুজে জাহাজের রুট নিয়ে একমত ইরান ও ওমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক রুট নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও ওমান। বুধবার দেশ দুটির পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত এই শিপিং রুটের ভৌগোলিক স্থান চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এই চুক্তিকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী বক্তব্য পাওয়া গেছে। তেহরান দাবি করছে এই চুক্তির সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো সম্পর্ক নেই, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তা বেশ ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, কোনো তৃতীয় পক্ষের বাধা না থাকলে দুই দেশ মিলে খুব শিগগিরই একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে। এই বিবৃতিতে প্রযুক্তিগত, আইনি, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সমঝোতার ফলে হরমুজ প্রণালীতে একটি 'মিডল করিডোর' বা মধ্য করিডোর তৈরি করা হবে, যা যৌথভাবে ইরান ও ওমান নিয়ন্ত্রণ করবে।


যুক্তরাষ্ট্রকে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে ইসমাইল বাঘেই পরিষ্কার জানিয়ে দেন, মার্কিন নৌ অবরোধ ও ইরানের বিরুদ্ধে অন্যান্য পদক্ষেপ বহাল থাকা অবস্থায় কেবল এই চুক্তি চলাচলের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। ইরানি গণমাধ্যমও জোর দিয়ে বলেছে যে, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত প্রণালীটি পুনরায় উন্মুক্ত হবে না। অপরদিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রণালীটি খুব দ্রুত খুলে দিতে হবে, অন্যথায় তেহরানকে কঠোর হামলার মুখোমুখি হতে হবে।


এই চুক্তির বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তেহরানের ফি আদায়ের শর্ত। ইরান এই জলপথের ওপর নিজস্ব সার্বভৌমত্ব দাবি করে ট্রানজিট ফি আদায় করতে চায়, যা জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশনের নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জোরালো দাবি হলো, আন্তর্জাতিক এই জলপথে সবার অবাধ ও বাধামুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

 

সূত্র: আলজাজিরা

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন