আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান না হলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম খোকন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নেতৃবৃন্দের সন্তোষজনক আলোচনা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজান মাসে পণ্য রিলিজ করার স্বার্থেই ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে সংগঠনটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এনসিটি চুক্তি না করার বিষয়ে সরকারের উপদেষ্টাদের আশ্বাসের পরও বন্দর কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়ন থামেনি। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পাঁচটি অমীমাংসিত সমস্যার মধ্যে রয়েছে বন্দরের পাঁচজন কর্মচারীকে গ্রেফতার ও মামলা দায়ের, ১৫ জন কর্মচারীকে দেশের বিভিন্ন বন্দরে হয়রানিমূলক বদলি, আন্দোলনরত কর্মচারীদের নানাবিধ শাস্তি প্রদান, বাসা বরাদ্দ বাতিল এবং ১৬ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা।
সংগ্রাম পরিষদের নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই সমস্যাগুলোর সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবিতে রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন পরিষদের নেতারা।
ডিবিসি/এএমটি