জাতীয়

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য কোনো স্লোগান নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি দশকে রপ্তানি, বিনিয়োগ ও আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করতে চায় সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইএসডিবি) সঙ্গে প্রায় ১০০ কোটি (১,০০৪.২৯ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিতে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং আইএসডিবি’র ডিরেক্টর জেনারেল আনাসি আইসামি। 

 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) অধীন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ইআরএল-এর জ্বালানি পরিশোধন ক্ষমতা ১.৫ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ৪.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। এতে পরিবেশবান্ধব (ইউরো-৫) তেল উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহত হবে। প্রধানমন্ত্রী এই চুক্তিটিকে শুধুমাত্র আর্থিক লেনদেন নয়, বরং বাংলাদেশের প্রতি আইএসডিবি’র গভীর আস্থার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, তৈরি পোশাকশিল্পের সাফল্যের পর এখন সরকার ইলেকট্রনিকস, ওষুধশিল্প, হালকা প্রকৌশল ও সবুজ শিল্পের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির নতুন গল্প তৈরি করতে চায়। মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনকেন্দ্র ও এ অঞ্চলের প্রবেশদ্বারে পরিণত করা। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি বৈশ্বিক অংশীদারত্বের ওপর জোর দেন। 

 

ড. আল জাসেরকে চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আইএসডিবি’র এই সহযোগিতা আগামীতে আরও শক্তিশালী ও ফলাফলভিত্তিক হবে।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন