খেলাধুলা, ফুটবল

২৮ বছর পর ফিরে নরওয়ের দাপট, জোড়া গোলে জোড়া রেকর্ড হালান্ডের

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে দুর্দান্ত এক জয় দিয়ে নিজেদের প্রত্যাবর্তন রাঙাল নরওয়ে। বস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইরাককে ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের এই দলটি। দলের তারকা ফরোয়ার্ড আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলের পাশাপাশি লিও অস্টিগার্ড ও ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্টের গোলে এই দাপুটে জয় নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, ইরাকের হয়ে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন আয়মান হোসেন।

ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ছিল ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের এক বিশেষ উপলক্ষ। নরওয়ে যেমন ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে, তেমনি ১৯৮৬ সালের পর দীর্ঘ ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছিল এশিয়ার প্রতিনিধি ইরাক। তবে নিজেদের ফেরার ম্যাচেই দারুণ দুটি রেকর্ড গড়েছে নরওয়ে। বিশ্বকাপের মঞ্চে এই প্রথম এক ম্যাচে চার গোল করার কৃতিত্ব দেখাল তারা। সেই সাথে প্রথম নরওয়েজিয়ান ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে জোড়া গোলের অনন্য রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তারকা ফরোয়ার্ড হলান্ড।

 

খেলার প্রথমার্ধে ইরাক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও প্রথম গোল হজমের পর তারা আর সাবলীল ফুটবল খেলতে পারেনি। বল দখলে বেশ পিছিয়ে থাকা ইরাক পুরো ম্যাচে মাত্র ৩৭ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়। গোলের উদ্দেশ্যে তারা মোট ১১টি শট নিলেও মাত্র ১টি শট লক্ষ্যে রাখতে পারে, যা থেকে একমাত্র গোলটি আসে। বিপরীতে, নরওয়ে ১২টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখে এবং এর মধ্যে ৪টিই প্রতিপক্ষের জালে জড়াতে সক্ষম হয়।

ম্যাচের ২৮ মিনিটে ডেভিড মোলার উলফের দারুণ এক পাস থেকে ইরাকের ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে নরওয়েকে প্রথম লিড এনে দেন ২৫ বছর বয়সী হলান্ড। বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ম্যাচেই গোল পাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে এটি ছিল তার টানা ১১তম গোল। তবে এই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। খেলার ৩৮ মিনিটে দারুণ এক হেডারে ইরাককে সমতায় ফেরান আয়মান।

 

অবশ্য বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগেই ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হোসেনের এক বাচ্চাসুলভ ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করে নেন হলান্ড। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগানো এই তারকা পরে আর জালের দেখা না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে সতীর্থদের কল্যাণে আরও দুটি গোল পায় নরওয়ে। ফলে একটি দাপুটে ও রেকর্ডগড়া জয়ের আনন্দ নিয়েই মাঠ ছাড়ে দলটি, আর হতাশায় শেষ হয় ইরাকের বিশ্বকাপ প্রত্যাবর্তন।

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন