মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে নরওয়ে। পুরো ম্যাচে প্রাণপণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি আফ্রিকান দলটি। পুরো ম্যাচজুড়েই সেনেগালের রক্ষণের ভুল আর নরওয়ের দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণ মূলত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়, যেখানে বড় ভূমিকা রেখেছে মার্টিন ওডেগার্ডের প্লেমেকিং এবং আর্লিং হালান্ডের দুর্দান্ত ফিনিশিং।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা নরওয়ে প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায়। বক্সের সামনে সেনেগালের ডিফেন্ডার কালিদু কুলিবালির ভুল পাস কেটে নিয়ে সুযোগ কাজে লাগান মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন। তাঁর নেওয়া নিচু শট গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্দি ছুঁয়ে দেখলেও বল জালে জড়ানো আটকাতে পারেননি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ইউরোপীয় দলটি।
বিরতির পর খেলার গতি আরও বাড়লে ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের অ্যাসিস্ট থেকে নিজের প্রথম গোল করেন আর্লিং হালান্ড। তবে ৫৩ মিনিটে দ্রুত আক্রমণ থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে সেনেগালকে ম্যাচে ফেরান ইসমাইলা সার। কিন্তু আফ্রিকান দলটির সেই আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। মাত্র পাঁচ মিনিট পরই মাঝমাঠে বল দখল করে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে যায় নরওয়ে। অধিনায়ক ওডেগার্ডের নিখুঁত পাস থেকে প্রথম টাচেই জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড, যেখানে গোলরক্ষক মেন্দির কিছুই করার ছিল না।
ম্যাচের ৭০ মিনিটের দিকে ওডেগার্ডের নেতৃত্বে সেনেগালের রক্ষণে আবারও চাপ তৈরি করে নরওয়ে। তারই ধারাবাহিকতায় তৈরি হওয়া সুযোগ থেকে হালান্ড আরও একটি গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন। ম্যাচের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ইসমাইলা সার নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩-২-এ নামিয়ে আনেন এবং ম্যাচে চরম উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন। তবে শেষ মুহূর্তে আর সমতা ফেরানো সম্ভব না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।
ডিবিসি/এফএইচআর