শিল্পখাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩টি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অ্যাওয়ার্ডসে ‘এক্সিলেন্স ইন অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইমপ্রুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট অ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী। সেসময় ওয়ালটন হাই-টেকের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক ও সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি ও ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। এই সম্মাননা নিরাপদ কর্মপরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ওয়ালটনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ধারাবাহিক অগ্রগতির এক স্বীকৃতি। এটি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও কার্যক্রমকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।
ডিবিসি/আরএসএল