দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর ফের খুলে দেয়া হয়েছে নগরবাসীকে শুদ্ধতার যোগান দেয়া রমনা পার্ক।
২৭ মার্চ থেকে মানুষের পা পড়েনি। নিস্তব্ধ নীরবতায় একক রাজত্ব করেছে শুধু প্রকৃতি। গাছপালা-তৃণ-লতাপাতা-ঘাস, সবই বেড়েছে নিজের খেয়ালে। অবাধ বিচরণে অভ্যস্ত হয়েছে কাঠবিড়ালিও। ছয়মাসে রমনা পার্কের প্রকৃতি শুদ্ধ হয়েছে আরো। এমন সবুজ-সতেজতায়, মুগ্ধ হচ্ছেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা।
নিশ্চিন্ত আনন্দের দিন শেষ প্রজাপতিদের। সুখের ডানা মেলে ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই মানুষের হানা। ছয় মাসের শান্তি শেষ কাঠবিড়ালীদেরও। এখন পথ চলতে এদিক ওদিক সাবধান হতে হয়।
রবিবার থেকে শুরু হয়েছে সুস্বাস্থ্য প্রত্যাশীদের প্রাতঃভ্রমণ-বিকেল সন্ধ্যার অনুশীলন। আবারো শুরু, নিয়ম করে মানুষের আনাগোনা। ভোর ছয়টা থেকে সকাল ১০টা আর বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।
করোনা মহামারিতে সাধারণ ছুটির আওতায়, ২৬ মার্চ বন্ধ করে দেয়া হয় রমনা পার্কে মানুষের প্রবেশ। এ সময়ে মানুষের পায়ের তলায় পিষ্ঠ হয়ে মরতে হয়নি কোনো বীজ ও আগামীর মহীরুহকে। পতঙ্গের দিনকালও কেটেছে দুশ্চিন্তাহীন। প্রকৃতি বুদ হয়ে ছিলো নিজের মধ্যেই।
১৬১০ সাল থেকে ঢাকাবাসীকে প্রকৃতির শুদ্ধতার যোগান দিয়ে আসছে রমনা পার্ক। ৪২০ বছর পর, ৬ মাসের ছুটির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলো করোনা মহামারী।