বৃহস্পতিবার সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও পালিত হবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দিবস।
এ বছরের আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য 'সমন্বিত ভবিষ্যতের জন্য স্বেচ্ছাসেবা'। স্বেচ্ছাসেবার মধ্যে দিয়ে মানুষের অর্থবহ অবদানের মাধ্যমে আরো বেশি সমন্বিত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এবছর এ দিনটি পালন করা হবে।
বুধবার আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, "২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সব মানুষকে, বিশেষ করে যারা অনেক পিছনে পড়ে আছে তাদেরও সমন্বিত করার জন্য একটি শক্তিশালী পদ্ধতি হলো স্বেচ্ছাসেবা। মানুষ যখন স্বেচ্ছাসেবায় অংশগ্রহণ করে তখন একে অপরের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয় এবং কোনো লক্ষ্য অর্জনের মনোভাব আরো শক্তিশালী করে।"
তিনি আরো বলেন, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনাধীন কার্যক্রমসমূহে স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা আরো বাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবাকে আরো উৎসাহিত করতে হবে। বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিক করতে স্বেচ্ছাসেবা খুবই জরুরি।
আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবা দিবস উপলক্ষে বিশ্বকে একটি সমন্বিত ও সহনশীল স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখায় সব স্বেচ্ছাসেবীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
১৯৮৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৫ ডিসেম্বর দিনটিকে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবাভিত্তিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ দিনটি পালন করা হয়। ইউনাইটেড নেশানস ভলান্টিয়ারস প্রোগ্রামও এই দিনটি বিশেষভাবে পালন করে থাকে।