আন্তর্জাতিক

৭ অক্টোবরের হামলার আগে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার কয়েকদিন আগেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে একটি বড় ধরনের অভিযানের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট।

সম্প্রতি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এ প্রকাশিত এমন একটি প্রতিবেদনের পর দেশটিতে তীব্র রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেওয়া হলেও আসন্ন নির্বাচনের আগে বিরোধীরা একে নেতানিয়াহুর চরম ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।


হারেৎজে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই হামলার প্রায় দশ দিন আগে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে ফোন করে সতর্ক করেছিলেন যে, হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন, যা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। তবে নেতানিয়াহু সে সময় বেশ শান্তভাবে জবাব দিয়েছিলেন যে ইসরায়েল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।


এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর ইসরায়েলের শীর্ষ বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট, আভিগডর লিবারম্যান এবং ইয়াইর গোলান এক যৌথ বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর ব্যর্থতা নিয়ে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এই অবহেলাকে 'ফৌজদারি অপরাধের শামিল' বলে আখ্যা দিয়েছেন। আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর ল্যাপিডও দাবি করেছেন, নেতানিয়াহু যদি সঠিক সময়ে তার দায়িত্ব পালন করতেন, তবে এই ভয়াবহ ঘটনা এড়ানো যেত।


হামলার প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও নেতানিয়াহু স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন। এর আগে তার মিত্ররা দাবি করতেন যে, গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও হামলার আগের রাতে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে ঘুম থেকে জাগাননি। কিন্তু নতুন এই প্রতিবেদনের পর বিরোধীরা জোরালোভাবে বলছেন, নেতানিয়াহুর ওই অজুহাত এখন ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের আগে এই জবাবদিহিতার ইস্যুটি নেতানিয়াহুর জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


সূত্র: সিএনএন


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন