আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কোনো আসনে ৮ ফেব্রুয়ারি বা তার পরে কোনো প্রার্থী যুক্ত হলে, সেই আসনের সব পোস্টাল ব্যালট বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
আদালতের আদেশে কারো কারো প্রার্থিতা ফেরার কারণে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার মধ্যে এ নির্দেশনার তথ্য জানাল ইসি। এ নির্দেশনা এরই মধ্যে সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠিয়েছেন ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, আদালতের আদেশে ‘প্রাসংগিক সময়ে’ যদি কোনো আসনের প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন ঘটে, তাহলে সেখানকার সব পোস্টাল ব্যালট বাতিল হবে। ‘প্রাসঙ্গিক’ সময়ের ব্যাখ্যায় পরিপত্রে বলা হয়, “মোট পাঁচদিন, অর্থাৎ ভোটগ্রহণের দিনসহ আগের ৪ দিনকে বোঝাবে।
এ হিসেবে ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাসঙ্গিক সময় বলতে ৮ ফেব্রুয়ারি ও তার পরবর্তী সময়কে বোঝাবে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, বাতিল ব্যালটগুলো খামের সঙ্গে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং তার হিসাব প্রকাশ করতে হবে।
উল্লেখ্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেডেপোস্টাল ভোটিং চালু করে ইসি। পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে দেশে ও প্রবাসে ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেন। দেশের ভেতরে সাড়ে ৭ লাখ পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে প্রবাস থেকে পোস্টাল ব্যালট দেশেও আসছে।
বাছাই ও আপিল শেষে ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল। এরপর অনেকে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফেরত পান। এখন ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রয়েছে ২ হাজার ১৭ জন। নতুন করে প্রার্থী যোগ হওয়ায় বেশ কিছু আসনে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এখানে একটা প্রাসঙ্গিক সময়ের ব্যাখ্যা দরকার ছিল। এ বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাসঙ্গিক সময়ে পোস্টাল ব্যালট তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার সুযোগ নেই।
ডিবিসি/কেএলডি