বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিং ও অস্ট্রেলীয় অলরাউন্ডার অ্যারন হার্ডির একক আধিপত্যে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শিরোপা পুনরুদ্ধার করল পেশোয়ার জালমি। লাহোরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে হায়দরাবাদ কিংসকে ১২৯ রানে অলআউট করার পর ৫ উইকেট ও ২৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পেশোয়ার। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল দলটি।
কেন পেশোয়ার জালমি তাঁকে উড়িয়ে নিয়েছে, ফাইনালে তার যোগ্য প্রমাণ দিয়েছেন নাহিদ রানা। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২২ রান খরচায় তিনি শিকার করেছেন ২ উইকেট। ষষ্ঠ ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে এসে ১৩ রান দিলেও নিজের দ্বিতীয় ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন রানা। ওভারের প্রথম বলেই অস্ট্রেলীয় তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে 'গোল্ডেন ডাক' উপহার দেন তিনি। শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর ১৪তম ওভারে এসে কোনো রান না দিয়েই তুলে নেন হুনাইন শাহর উইকেট। এই ‘মেডেন-উইকেট’ ওভারটি হায়দরাবাদকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
আগে ব্যাটিং করতে নামা হায়দরাবাদ কিংস শুরুটা মারকুটে করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। প্রথম ৫ ওভারে ৫৬ রান তুললেও সুফিয়ান মুকিম ও নাহিদ রানার বোলিংয়ের সামনে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। ৭৩ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর শেষ পর্যন্ত তারা ১২৯ রানে অলআউট হয়।
১৩০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে এক পর্যায়ে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে সংকটে পড়েছিল পেশোয়ার জালমি। তবে অ্যারন হার্ডি ও আবদুল সামাদের ৮৫ রানের লড়াকু জুটি সেই শঙ্কা দূর করে দেয়। সামাদ ৩৪ বলে ৪৮ রান করে আউট হলেও হার্ডি ৩৯ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। এর আগে বল হাতেও অসামান্য অবদান রাখেন হার্ডি; ২৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৪টি উইকেট। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে পেশোয়ারের জয় নিশ্চিত করেন এই অস্ট্রেলীয় পেস-বোলিং অলরাউন্ডার।
ডিবিসি/এফএইচআর