ভারতের উত্তরপ্রদেশের সিদ্ধার্থনগরে পণের এক লাখ টাকা না পাওয়ায় বিয়ের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত তরুণীর নাম মুফিদুন্নিশা। এ ঘটনায় স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গত মে মাসে মুফিদুন্নিশার সঙ্গে শামসের আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পণের টাকার দাবিতে স্বামী তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি তিনি বাবার বাড়ির সদস্যদের জানিয়েছিলেন। পরে দুই পরিবারের উদ্যোগে বিষয়টি মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়।
নিহতের মায়ের অভিযোগ, ১৪ জুলাই শামসের তাকে ফোন করে বলেন, ‘আপনার মেয়েকে মেরে ঘরের মধ্যে পুঁতে দিয়েছি। এসে নিয়ে যান।’ ফোন পেয়ে তিনি স্বজনদের বিষয়টি জানিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে শামসের, তার বাবা ও মাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শামসের দাবি করেন, ঘরের মেঝের নিচে স্ত্রীর মরদেহ পুঁতে রাখা হয়েছে।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘরের মেঝে খুঁড়ে মুফিদুন্নিশার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র: আনন্দবাজার
ডিবিসি/এসএফএল