উট খাতকে সুশৃঙ্খল ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ‘উট পাসপোর্ট প্রকল্প’ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে সৌদি আরব। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরবের গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সৌদি আরবের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপমন্ত্রী মনসুর বিন হিলাল আল-মুশাইতি এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি উটের জন্য একটি করে পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে, যা উটের পরিচয় নথিভুক্ত করার পাশাপাশি সেবা প্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এই পাসপোর্টটি একটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত রেফারেন্স নথি হিসেবে গণ্য হবে, যেখানে উটের মালিকানা, জাত এবং যাচাইকৃত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য যুক্ত থাকবে।
একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচয়পত্র হিসেবে এই পাসপোর্টে উটের মাইক্রোচিপ নম্বর, নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, রং এবং জন্মস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ থাকবে। নির্ভুল শনাক্তকরণের জন্য পাসপোর্টে উটের দুই পাশের ছবিও সংযুক্ত করা হবে। এছাড়া উটের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এতে একটি নির্দিষ্ট টিকাদান সূচি থাকবে, যেখানে সংশ্লিষ্ট পশুচিকিৎসকের স্বাক্ষর ও সিলসহ সকল স্বাস্থ্যগত তথ্য নথিভুক্ত করা হবে।
মন্ত্রণালয় আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে উটের কেনাবেচা, পরিবহন এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা সম্ভব হবে। জুন ২০২৫ সালে প্রকাশিত সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী, বর্তমানে সৌদি আরবে উটের সংখ্যা ২২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯৭টি।
সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি
ডিবিসি/টিবিএ