খেলাধুলা, ক্রিকেট

প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সিপিএলে ‘লাল কার্ড’ পেলেন সুনীল নারাইন

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

সোমবার ২৮শে আগস্ট ২০২৩ ০৫:৪২:২২ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

সিপিএল (ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ) শুরুর আগেই নিয়মে পরিবর্তন এনেছিল সিপিএল কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে ‘স্লো ওভার’ বা ম্যাচ যেন যথাযথ সময়ের মধ্যে শেষ হয় সেজন্য লাল কার্ডের ব্যবহার আনা হয়। ক্রিকেটে লাল কার্ড আগেও ব্যবহার হয়েছে তবে সিপিএলে এটি স্থায়ীভাবেই ব্যবহারের ঘোষণা দেওয়া হয়। আর সেই লাল কার্ডের প্রথম শিকার হলেন নারাইন!

সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের বিপক্ষে ম্যাচে ইনিংসের শেষ ওভারের বল গড়ানোর আগেই আম্পায়ার লাল-কার্ড দেখান। নিয়ম অনুযায়ী অধিনায়কের পছন্দে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় নারাইনকে।

লাল-কার্ড পাওয়ায় মাঠে একজন ফিল্ডারও কমে যায় ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন,

“সত্যি বলতে এটি (ওভার রেট পেনাল্টি) দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের কঠোর পরিশ্রমকে বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হয়। আমরা মোহরের মতো এবং আমাদের যাই বলা হবে, সেটি করতেই আমরা বাধ্য। যদি আপনি এই ধরণের টুর্নামেন্টে ৪০-৪৫ সেকেন্ডের জন্য জরিমানা করেন তাহলে সেটি হাস্যকর ব্যাপার।”

যদিও ম্যাচটি জিতেছে নাইট রাইডার্সই। যদিও একজন ফিল্ডার কম থাকায় ব্রাভোর ইনিংসের শেষ ওভার থেকে ১৮ রান নেয় রাদারফোর্ড। মূলত ওটি ছিল ইনিংসের তৃতীয়বার।

টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই সিপিএলের অপারেশন ডিরেক্টর মাইকেল হল জানিয়েছেন, স্লো ওভার রেটের শাস্তি তারা নিজেরা দিতে চান না ক্রিকেটারদের। বরং ক্রিকেটাররা নিজেরাই ভুল শুধরে নিয়ে বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ম্যাচ শেষ করবে।

শুধু লাল কার্ডের ব্যবহারই নয়, আরও নিয়ম এনেছিল সিপিএল কর্তৃপক্ষ। লাল কার্ডের পাশাপাশি পেনাল্টির ব্যবস্থাও রয়েছে। যদি ম্যাচে ব্যাটিং দল সময় নষ্ট করে এবং আম্পায়ার প্রথম ও তৃতীয়বার সতর্ক করার পরও যদি সময় নষ্ট করে তাহলে দলীয় সংগ্রহ থেকে পাঁচ রান কেটে নেওয়া হবে।

অবশ্য বড় শাস্তি থাকছে ফিল্ডিং করা দলের জন্যই। ১৮তম ওভার থেকে শুরু হতে থাকে এই নিয়ম। ফিল্ডিং দল যদি ১৮তম ওভার নির্ধারিত সময়ে শুরু করতে না পারে, তাহলে একজন অতিরিক্ত ফিল্ডারকে ৩০ গজের বৃত্তের মধ্যে রাখতে হবে। অর্থাৎ তখন বৃত্তে থাকবে ৫ জন ফিল্ডার। ১৯তম ওভার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুরু করতে না পারলে ফিল্ডার ৩০ গজের বৃত্তে ঢোকাতে হবে আরও একজন। অর্থাৎ তখন বৃত্তের মধ্যে থাকবে ৬ জন।

আর ২০ তম ওভার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুরু না করলে শাস্তি আরও বড়। তখন একজন ফিল্ডারকে যেতে হবে মাঠের বাইরে। সেই ফিল্ডার কে হবে সেটা ঠিক করবেন অধিনায়ক। তখনো ৬ জন ফিল্ডারকে থাকতে হবে বৃত্তের মধ্যে।

ডিবিসি/ এনবিডব্লিউ

আরও পড়ুন