আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘২৮ তারিখ আমাদেরও কর্মসূচি আছে, এদিন মহাযাত্রা আমাদেরও আছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের মহাযাত্রা শুরু হবে। বিকেলে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জনতার ঢল নামবে।’
শনিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি বিএনপিকে লক্ষ্য করে তিনি এসব কথা বলেন। দেশে একটি মহল অস্থিরতা ও সন্ত্রাসের ডাক দিচ্ছে, এই অপশক্তিকে বধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
মন্দির প্রাঙ্গণে মন্ত্রী বলেন, ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় আছে। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে মনিটরিং করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্রিফ করেছেন। আগের অশুভ ঘটনাগুলো হিন্দুদের কষ্ট দিয়েছে। এ অপকর্মের পুনরাবৃত্তি চাই না। আশা করি দশমী পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হবে।’
তিনি জানান, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন অস্থির, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক। আমাদের দেশে রাজনীতিতে যখন অবরোধ শব্দ শোনা যায়, তখন জনগণ আতঙ্কিত হয়। এই অবরোধ কেমন তা জনগণ ২০১৪ সালে দেখেছে। ২০০১ সালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতিত হয়েছে।
একটা দল (বিএনপি) কর্মীদের বলছে, মাত্র কয়েকটা দিন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এরা হাঁকডাক শুরু করেছে। মহাযাত্রার মহারণ শুরু। কর্মীদের মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। সেই কর্মীরা যখন দেখবে ২৮ অক্টোবরের পরিণতি ১০ ডিসেম্বরের মতো অশ্বডিম্ব হবে, তখন বিএনপি নেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে সেই কর্মীরাই।’
বিএনপির প্রতি ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কয়দিন সময় দেবেন? বলে দিচ্ছি, আমাদের সময় নেই। ৪ নভেম্বর ঢাকায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। মেট্রোরেলের উদ্বোধনে দাওয়াত দিচ্ছি। কোনো মেগা প্রকল্প আপনারা করেননি। চুরি করেছেন। দেশের সম্পদ লুট করেছেন, অর্থপাচার করেছেন।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লপ বড়ুয়া, সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জেএল ভৌমিক ও মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ।