জেলার সংবাদ

বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমসের জব্দ পণ্য সরানোর অভিযোগে বন্দর কর্মকর্তা বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস চালানের সংরক্ষিত পণ্য পরিবর্তন ও অবৈধভাবে অপসারণে সহযোগিতার অভিযোগে বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পরিচালক কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা, অসদাচরণ ও স্বেচ্ছাচারিতার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক জরুরি অফিস আদেশে (স্মারক নম্বর: ১৮.১৫.০০০০.০০০.০২০.২৭.০০১৫.২৬.১৯৬) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

 

বন্দর ও কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-০২-এর আওতাধীন ১৫, ১৯, ৩৬, ৩৭, ৩৯ ও ৪২ নম্বর শেডের দায়িত্ব পালন করছিলেন কাজী রতন। সে সময় কাস্টম হাউজের একটি চালানে (ম্যানিফেস্ট নম্বর: ৬১২০২৬০০১০০১৬৩৩৩, তারিখ: ১২ মার্চ ২০২৬) কায়িক পরীক্ষা চালিয়ে ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত পণ্যের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এরপর চালানটি বন্দরের জিম্মায় সংরক্ষণ করা হয়। তবে অভিযোগ ওঠে, কাজী রতন অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে সংরক্ষিত ওই পণ্য বদলে ফেলে বন্দর থেকে অবৈধভাবে তা অপসারণের সুযোগ করে দেন।

 

অনিয়মের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এলে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ‘বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ চাকরি প্রবিধিমালা, ২০০৪’-এর প্রবিধি ৪০(ক) ও (খ) লঙ্ঘনের অভিযোগে কাজী রতনের বিরুদ্ধে ১/২০২৬ নম্বরের বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে (স্মারক নম্বর: ১৪৫)।

 

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সংরক্ষিত পণ্য পরিবর্তনের সঙ্গে বন্দরের অন্য কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তদন্ত শেষ হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন