শিক্ষা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩ শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

নানা জটিলতা ও বাধা পেরিয়ে অবশেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদোন্নতিপ্রত্যাশী ২৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পদোন্নতিপ্রাপ্ত এই শিক্ষকরা নতুন পদে যোগদান করেছেন।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন- কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক, ইতিহাস বিভাগের ড. আবদুল বাতেন চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. তারেক মাহমুদ আবির ও ড. মো. সাদিকুর রহমান, রসায়ন বিভাগের ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস, ড. মাসুদ পারভেজ ও ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. জামাল উদ্দিন, গণিত বিভাগের ড. শাখাওয়াত হোসেন, বিজন কৃষ্ণ শাহা, ড. হেনা রানী বিশ্বাস ও ড. শফিউল আলম, কম্পিউটার সায়েন্সের ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, লোকপ্রশাসন বিভাগের ড. ইশরাত জাহান লিজা, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যার ড. ধীমান কুমার রায়, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. শাখাওয়াত হোসেন, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুদ, ড. তাজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী ও আলমগীর মোল্লা।

 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বাধায় এর আগে পদোন্নতি প্রক্রিয়াটি আটকে ছিল। পরবর্তীতে গত ২৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম সিন্ডিকেট সভায় ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতির বিষয়টি উত্থাপিত হলে ২৩ জনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে শিক্ষক আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক ড. আবদুল কাইয়ুমের পদোন্নতির বিষয়টি অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য স্থগিত রাখার সুপারিশ করেছে সিন্ডিকেট। এ বিষয়ে জানতে তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

 

পদোন্নতি স্থগিতের বিষয়ে সিন্ডিকেট সদস্য ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান জানান, পূর্বের আবেদনকারীদের এককালীন সুযোগ হিসেবে ইউজিসির নিয়ম মেনেই পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়ে সিন্ডিকেটে মত দেওয়া হয়েছিল। তবে একজনকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে তা তার জানা নেই এবং আগামী সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। 

 

এদিকে, সার্বিক বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও অন্যান্য সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ কোনো সাড়া দেননি বা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন