আন্তর্জাতিক, আমেরিকা

ইরান যুদ্ধে মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে ঘাটতি, পূরণে লাগতে পারে ৩ বছর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে গোলাবারুদ ও অত্যাধুনিক অস্ত্রের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মহাপরিদর্শকের কংগ্রেসে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে আনুমানিক ৩ হাজার ৩৪০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে শুধু গোলাবারুদ বাবদ খরচ হয়েছে ২ হাজার ২৩০ কোটি ডলার।


সংঘাতে ব্যাপক অস্ত্র ব্যবহারে ‘কৌশলগত মজুতে ঘাটতি’ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সরবরাহ পুনরুদ্ধারে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের সীমাবদ্ধতাও প্রকাশ পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষামূলক ইন্টারসেপ্টরের মজুত যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে প্রায় তিন বছর লাগতে পারে।


যুদ্ধে চারটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং একটি এফ-৩৫ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাতটি কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর পাঁচটি সৌদি আরবে মাটিতে থাকা অবস্থায় ইরানি হামলার শিকার হয়। ধ্বংস হয়েছে সর্বোচ্চ ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনও, যার প্রতিটির দাম প্রায় ৩ কোটি ডলার।


তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কার্যত সীমাহীন। সোমবার ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে তিনি বলেন, ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনেরও দাবি, যেকোনো সংঘাত মোকাবিলার প্রয়োজনীয় অস্ত্র তাদের রয়েছে।


প্রতিবেদনে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটির শত শত ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার তথ্যও রয়েছে। এসব মেরামত বা পুনর্নির্মাণের ব্যয় উল্লিখিত হিসাবের বাইরে। সব স্থাপনা পুনর্নির্মাণ হবে কি না এবং খরচ কে বহন করবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।


সূত্র: ইউরোনিউজ


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন