শিক্ষা

পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

মহান মুক্তিযুদ্ধের নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ঐতিহাসিক নিবন্ধ ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’। একই সঙ্গে পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত করা হচ্ছে তাঁর তৎকালীন একটি ঐতিহাসিক ডায়েরির দুর্লভ ছবি।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে নতুন অধ্যায় হিসেবে এটি স্থান পাচ্ছে। গত ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

 

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, মুক্তিযুদ্ধে যার যতটুকু অবদান তা নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

 

একই সাথে প্রবন্ধের পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধকে একটি সর্বাত্মক ‘জনযুদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমেদসহ জাতীয় নেতাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

 

প্রস্তাবিত প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলার খবর পেয়ে মেজর জিয়ার ঐতিহাসিক ‘উই রিভোল্ট’ বলে বিদ্রোহ ঘোষণা, ষোলশহরে ব্যাটালিয়ন প্রস্তুতকরণ, পটিয়ার পাহাড়ে প্রথম মুক্তাঞ্চল গঠন এবং ২৭শে মার্চ কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বহুল আলোচিত স্বাধীনতার ঘোষণার স্মৃতিচারণ প্রামাণ্যভাবে উঠে এসেছে।

 

এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, এই নিবন্ধটির যথেষ্ট ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ মনে করেন, অতীতে রাজনৈতিক কারণে একপাক্ষিক ইতিহাস চর্চা হলেও এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা জানার সুযোগ পাবে।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন