জাতীয়

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তথ্যমন্ত্রী

বাসস

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অপতথ্য প্রতিরোধ, সাইবার সুরক্ষা এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

 

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টি তুলে ধরেন। 

 

তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে দেশের অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো ছিল না, তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছে। সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

 

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তথ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহারের ওপর জোর দেন। 

 

তিনি বলেন, ভুল তথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয় উল্লেখ করে তিনি নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপদ সাইবার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের কার্যকর উদ্যোগের কথা জানান।

 

ভুল তথ্য ও অপতথ্য রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তা সম্প্রসারিত হচ্ছে। 

 

এছাড়া, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধেও তাদের বিশেষ সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন