জাতীয়

আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ

বাসস

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

একক মাস হিসেবে গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। অঙ্কের হিসেবে আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যা গত বছরের একই মাসে ছিল ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। সব মিলিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দেশটিতে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।


বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও এমন অর্জনকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. ফজলুল হক মনে করেন, শীতকালীন পোশাকের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় আগস্টে এই বড় লাফ দেখা গেছে। তার মতে, আমাদের উদ্যোক্তাদের অন্তর্নিহিত সক্ষমতার কারণেই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে আগামীতে রপ্তানি আরও বাড়াতে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসানও বিশ্ববাজারের বর্তমান সুযোগগুলো কাজে লাগানোর কথা জানিয়েছেন। তবে এর জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ এবং সরকারের নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।


বর্তমানে যে গতিতে রপ্তানি বাড়ছে, তা ধরে রাখা গেলে চলতি অর্থবছর শেষে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই পোশাক রপ্তানি ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল। তবে বাজারটিতে আমাদের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে কেবল পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট, কৃষিজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ এবং হালকা প্রকৌশলের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে জোর দিতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।


উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির মধ্যে সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র একাই প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যার সিংহভাগই ছিল তৈরি পোশাক।


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন