শিক্ষা

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা অনুদান দেবে সরকার

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসা অনুদান দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর (২০২৬) প্রান্তের জন্য যোগ্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ লক্ষ্যে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ‘ই-চিকিৎসা অনুদান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান নির্দেশিকা, ২০২০’ অনুযায়ী এই অর্থ দেওয়া হবে। অনুদান পেতে হলে চিকিৎসা গ্রহণের সময়কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর বা তার আগের এক বছরের মধ্যে হতে হবে এবং একজন শিক্ষার্থী কেবল একবারই আবেদনের সুযোগ পাবেন।

 

শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে পূর্ববর্তী শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। জিপিএ-৫-এর স্কেলে এসএসসি ও এইচএসসিতে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং জিপিএ-৪-এর স্কেলে স্নাতক পর্যায়ে ন্যূনতম ৩.০০ থাকতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে।

 

আবেদনের সঙ্গে দারিদ্র্যের প্রমাণ হিসেবে ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে অফিস প্রধানের এবং অন্যান্যদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। 

 

গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক দেওয়া চিকিৎসা সনদের কপি আপলোড করা বাধ্যতামূলক। এর সঙ্গে ট্রাস্ট নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন, জন্মনিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার এনআইডি, শিক্ষার্থীর ছবি ও স্বাক্ষর জমা দিতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন হবে, কোনো হার্ড কপি পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

 

অনুদানের অর্থ পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থী বা তার পিতা-মাতার নিজস্ব সচল অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর প্রদান এবং চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপলোড করতে হবে। পিতা-মাতা ব্যতীত অন্য কারও হিসাব নম্বর গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে পিতা-মাতা মৃত হলে নির্ভরশীল বৈধ অভিভাবকের হিসাব নম্বর বিবেচনা করা হবে। 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অনলাইনে আবেদনের সময় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম খুঁজে পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে ইআইআইএন ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর ই-মেইল বা ডাকযোগে আবেদন করতে হবে। যোগ্য শিক্ষার্থীদের বিষয়টি অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন