জেট ফুয়েলের দাম আবারও বেড়ে যাওয়ায় বছরের শেষ দিকে কম ভাড়ার ও তুলনামূলক কম লাভজনক ফ্লাইট কমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বড় এয়ারলাইনস। ইউনাইটেড, আমেরিকান ও সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইনসের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় অব্যাহত থাকলে কম লাভজনক রুট ও সময়সূচিতে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো হবে।
সাউথওয়েস্টের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা টম ডক্সি বলেন, জ্বালানির দাম দীর্ঘ সময় উঁচু থাকলে সক্ষমতা কমানো স্বাভাবিক পদক্ষেপ। এর আগে গ্রীষ্মকালীন সূচিতেও ফ্লাইট কমানোর পাশাপাশি লাগেজ ফি বাড়িয়েছে কয়েকটি এয়ারলাইনস।
ইউনাইটেডের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মাইকেল লেসকিনেন জানান, ভাড়া ও বিভিন্ন ফি বাড়লেও যাত্রী চাহিদা দুর্বল হওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। সরকারি মূল্যস্ফীতি সূচক অনুযায়ী, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিমানভাড়া আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি ছিল।
কোন কোন রুটে ফ্লাইট কমবে, তা এখনো নির্দিষ্ট করেনি এয়ারলাইনসগুলো। তবে বিশ্লেষকদের মতে, মঙ্গলবার বা শনিবারের কম জনপ্রিয় সময়, গভীর রাত এবং ভোরের ফ্লাইটগুলো বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
ডিসকাউন্ট এয়ারলাইন স্পিরিটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ফ্রন্টিয়ারের মতো বাজেট সংস্থার প্রিমিয়াম সেবায় ঝোঁকার কারণে কম খরচে ভ্রমণকারীদের বিকল্পও কমছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চার বড় এয়ারলাইনস-ইউনাইটেড, ডেল্টা, আমেরিকান ও সাউথওয়েস্ট-এপ্রিল থেকে জুনে আগের বছরের তুলনায় জ্বালানিতে প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছে। বৃহস্পতিবার প্রতি গ্যালন জেট ফুয়েলের গড় দাম দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৫৬ ডলারে।
সূত্র: সিএনএন
ডিবিসি/এসএফএল