দূরবর্তী অঞ্চলের যুদ্ধের প্রভাব এখন দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাবের মুখে পড়ছে।
ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করে। দেশটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক। যুদ্ধের আগে ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত ছিল ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে। পাশাপাশি কাতার ছিল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির অন্যতম প্রধান উৎস। তবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় ভারতের জ্বালানি সরবরাহের উৎস বেশি বৈচিত্র্যময়। রাশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকা থেকেও দেশটি অপরিশোধিত তেল আমদানি করে।
পাকিস্তানও আমদানি করা জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটি অপরিশোধিত তেল, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য ও এলএনজি আমদানি করে থাকে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী। আর দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহের প্রধান উৎস কাতার।
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদিত হলেও স্থানীয় উৎপাদন চাহিদা পূরণে পিছিয়ে পড়ায় এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। কাতার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এলএনজি সরবরাহকারী। একই সঙ্গে দেশটি পরিশোধিত পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যও আমদানি করে।
সূত্র: আল জাজিরা
ডিবিসি/এসএফএল