আন্তর্জাতিক

মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের যুগ শুরু হয়েছে: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

মার্কিন যুদ্ধবিমান এখন শিকার ও ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মার্কিন বিমান ক্ষয়ক্ষতির একটি তালিকা প্রকাশ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গালিবাফ বলেন, ‘এমন এক যুগ শুরু হয়েছে, যখন আপনাদের এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান শিকার করা হচ্ছে। এখন আপনাদের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিতে হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, যে বিষয়টি আগে ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন ছিল, সেটিই এখন প্রতিদিনের বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।

 

গালিবাফের প্রকাশিত তালিকায় মার্কিন যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং বিভিন্ন নজরদারি হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ক্ষয়ক্ষতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানায়, জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আটটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই হামলায় একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট যুদ্ধবিমান একটি ডানা হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

 

সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলা ঠেকাতে জর্ডানে থাকা মার্কিন বাহিনী ৩০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। তবে সেগুলো হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। এতে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় থাকা প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরসহ বিভিন্ন নির্ভুল অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসার বিষয়টিও সামনে আসে।

 

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ‘ইয়া হায়দার কাররার’ নামে পরিচালিত ওই অভিযানে তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্স জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। ইরানের দাবি, হামলায় এফ-৩৫, এফ-১৬ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রস্তুতির হ্যাঙ্গার এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

 

ইরানের দাবি, দেশটির তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ওই অভিযান চালানো হয়। তবে মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইরানের দাবিগুলোর সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

ডিবিসি/ আরএফই

আরও পড়ুন