• শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • দুপুর ২:২৭

আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ প্রত্যাখান করেছে মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ প্রত্যাখান করেছে মিয়ানমার
রোহিঙ্গা গণহত্যায় গাম্বিয়ার করা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত-আইসিজের আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত-আইসিজের অন্তবর্তী আদেশে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই আদেশ পরিস্থিতির বিকৃত চিত্র তুলে ধরেছে।

মিয়ানমারের গঠিত ইনডিপেনডেন্ট কমিশন অব ইনকোয়ারি আইসিওই রাখাইনে কোনো ধরনের গণহত্যার আলামত খুঁজে পায়নি। তবে, রাখাইনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে দেশটির স্বাধীন কমিশন।

মানবাধিকার সংগঠনেরও সমালোচনা করে মিয়ানমার জানায়, মানবাধিকার সংগঠনের নিন্দার কারণে কয়েকটি দেশের সঙ্গে মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি, এতে রাখাইনের উন্নয়নও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের গণহত্যা থেকে সুরক্ষা দিতে মিয়ানমারের প্রতি চার দফা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয় আইসিজে। এগুলো মেনে চলা মিয়ানমারের জন্য বাধ্যতামূলক। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে না মিয়ানমার।

রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর দায়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গত নভেম্বরে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে গাম্বিয়া। ডিসেম্বরে এর শুনানিতে রাখাইনের পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না হয় সেজন্য আদালতের কাছে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অন্তবর্তী ৪টি আদেশ চায় দেশটি। গতকাল বৃহস্পতিবার সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলেন আদালত।

আইসিজে’র ১৭ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বিচারিক দলের পক্ষে অন্তবর্তী আদেশ ঘোষণা করেন আদালতের প্রেসিডেন্ট বিচারক আব্দুল কোয়াই আহমেদ ইউসুফ।

আদেশগুলো হল-

১. গণহত্যাসহ সব ধরনের নিপীড়ন থেকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেয়া।

২. রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের সামরিক আধা সামরিক অথবা এই জাতীয় কোন সংস্থা এমন কোন ব্যবস্থা বা কাজ করবে না যাতে মিয়ানমারে চলমান পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটে।

৩. গণহত্যার কোনো আলামত নষ্ট না করা।

৪. মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে পেশ করতে হবে।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ২৪শে জানুয়ারী, ২০২০
আপডেটঃ শুক্রবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ০১:৪০


সর্বশেষ

আরও পড়ুন