• বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
  • রাত ২:৩১

ওজন কমাতে কাজের মাঝেই ব্যায়াম

ওজন কমাতে কাজের মাঝেই ব্যায়াম
সারা দিন যতই কাজ করুন, নিয়ম করে অন্তত আধা ঘণ্টা রাখুন শারীরচর্চার জন্য। 

সারা দিন ধরে বাড়ি-অফিস সামলাচ্ছেন একা হাতে। সকালের রান্না কিংবা বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসা-নিয়ে আসার দায়িত্বও আপনার উপরে। ভাবছেন এত খেটেও কেন মোটা হয়েই চলেছি? পরিশ্রম তো কম হচ্ছে না! ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গোড়ায় এই গলদটা করে ফেলেন বেশির ভাগ মহিলা। গৃহিনী, কর্মজীবী নারী কিংবা কলেজপড়ুয়া-আপনার কাজের জায়গা যাই হোক না কেন, ওজন কমাতে এ কাজ গুলো কাজে আসে না। সারা দিন প্রচুর কাজকর্মে ব্যস্ত রয়েছেন মানেই আপনি প্রচুর খাটেন। অতএব ওজন আপনা থেকেই কমা উচিত-এই ভুল ধারণা থেকে প্রথমেই বেরিয়ে আসতে হবে। জেনে নিন, কী করে কাজের মাঝেই সময় বের করবেন বাড়তি মেদ ঝরাতে।

ওজন কমানোর আগে জানতে হবে, উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কত হওয়া উচিত। জিম কিংবা ডায়াটিশিয়ানের কাছে যাওয়াটাও অনেকে মনে করেন বিলাসিতা। তবে ওজন সঠিক পদ্ধতিতেই কমাতে হবে নয়তো আপনি কঠিন কোন শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন। আর ওজন কমাবার জন্য বেশি তাড়াহুড়ো করা চলবে না। 

উচ্চতা অনুযায়ী কত ওজন হওয়া উচিত, তা-ও হিসেব করতে পারেন সহজে। ইঞ্চি প্রতি এক কিলোগ্রাম-এই সোজা পদ্ধতিতে হিসেব করে নিন। যদি আপনার উচ্চতা হয় ৫ ফুট অর্থাৎ ৬০ ইঞ্চি, তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে ওজন হওয়া উচিত ৬০ কেজির আশপাশে। মহিলাদের ক্ষেত্রে এই হিসেবে চার-পাঁচ কেজি কমিয়ে নিতে হবে। অর্থাৎ ৫ ফুট লম্বা মহিলার ওজন থাকতে হবে ৫০-৫৫ কেজির মধ্যে। টার্গেট একবার ঠিক করে নিলে আপনা থেকেই ক্যালরি ইনটেক ও বার্ন করার হিসেবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এর পর আসে খাবার গ্রহণের পালা। সারা দিনে আপনার কতটা ক্যালরি দরকার, তার একটা হিসেব করে নিলে কতটা বার্ন করা প্রয়োজন, সেটা বুঝতে পারবেন। সাধারণত বলা হয়, একজন পূর্ণবয়স্ক মহিলার দিনে ২০০০ কিলোক্যালরি হলেই চলে। এ বার যতটা ইনটেক করা হচ্ছে, ততটাই এক্সারসাইজ় করে বার্ন করে ফেললে কিন্তু কমার সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ঘাটতি তৈরি করা প্রয়োজন। ঘাটতি তৈরির সহজ প্রক্রিয়া হচ্ছে, প্রত্যেক দিন ডায়েট থেকে ২৫০ ক্যালরি কমানো, এবং একইসঙ্গে এক্সারসাইজ় করে ২৫০ ক্যালরি কমানো। এতে শরীরে প্রয়োজনীয় ক্যালরির ঘাটতি তৈরি হবে, যার ফলে ওজন কমবে। তবে এ ক্ষেত্রে ছোট ছোট টার্গেট করে এগোনোই ভাল। কারণ এই প্রক্রিয়ায় বারবার খিদে পেতে পারে এবং কিছুটা দুর্বলও লাগতে পারে।

সারা দিন যতই কাজ করুন, নিয়ম করে অন্তত আধ ঘণ্টা আলাদা করে রাখুন শারীরচর্চার জন্য।  আবাসিক এলাকা কিংবা বাড়ির কাছে সুইমিং পুল থাকলে সাঁতারে ভর্তি হয়ে যান। কাছাকাছি মাঠ থাকলে জোরে হেঁটে আসুন আধ ঘণ্টা। সাইকেলও চালাতে পারেন। হাঁটার জায়গা না থাকলে ঘর কিংবা বারান্দাতেও স্পট রানিং করতে পারেন।

হাজার ব্যস্ততার মাঝেও একটু সময় বার করুন হাঁটা বা ব্যায়ামের জন্য, নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য।

 

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ১লা অক্টোবর, ২০১৯
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ২২শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ০১:৫৫


সর্বশেষ

আরও পড়ুন