• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • রাত ৯:১৮

কঙ্গোয় শান্তি ফেরাতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ

কঙ্গোয় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জীবনও দিতে হয়েছে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের।

স্থানীয় মিলিশিয়াদের হামলায় একদিনে ৯ জনসহ এ পর্যন্ত প্রাণ উৎসর্গ করেছেন ১৪ বাংলাদেশি। তাদের স্মরণে দেশটির ইতুরি প্রদেশের বুনিয়া ক্যাম্পে তৈরি হয়েছে স্মৃতিসৌধ। বাংলাদেশি ছাড়াও শান্তি মিশনে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি সকালে শ্রদ্ধা জানায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা।

মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা লাল সবুজে মোড়ানো ছোট্ট এই মিনারটির অবস্থান বাংলাদেশ থেকে হাজার মাইল দূরে। লালসবুজের পাশপাশি সঙ্গে নীল পতাকাও। পাশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের প্রতীক ব্লু -হেলমেট।

ফুলেল শ্রদ্ধায় জীবন উৎসর্গকারী উত্তরসূরীদের স্মরণ করছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বলছেন, সংঘাতপূর্ণ কঙ্গোয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় জীবন উৎসর্গকারী ১৪ বাংলাদেশীর স্মরণেই এই বেদী।

স্থানীয় মিলিশিয়া গ্রুপের হামলায় ২০০৫ সালে একদিনেই প্রাণ দিতে হয়েছিল ৯ জনকে।  

কঙ্গোর নর্দান সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কাফে নামে একটা জায়গা আছে। সেখানে ক্যাপ্টেন শহিদ আশরাফ এর নেতৃত্বে আটজনের একটি দল স্থানীয় মিলিশিয়া গ্রুপের ফাঁদে পড়ে। সেখানে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সেখানে আমরা একজন অফিসারসহ নয়জনকে হারাই। এছাড়াও আরও কয়েকবার এমন হামলায় আরও পাঁচজন সদস্যকে আমরা হারিয়েছি।

প্রতিদিন সকালে আত্মত্যাগকারী পূর্বসূরীদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বলছেন, তাদের আত্মত্যাগ দেয় পথচলার প্রেরণা, সাহস যোগায় ভয়কে জয় করার।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ২৬শে জুলাই, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন