• শনিবার, ১৫ মে ২০২১
  • রাত ১০:৩৭

করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়লেও পর্যাপ্ত নয়

আরটিপিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে সারাদেশে করোনা পরীক্ষাগার রয়েছে ২২৪টি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েকমাসের তুলনায় নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয়। করোনা থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পাশাপাশি আরও বেশি বেশি করোনা পরীক্ষা করতে জনগণকে উৎসাহিত করা উচিৎ বলে মনে করেন তারা।

প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। ১ সপ্তাহের ব্যবধানে করোনা শনাক্তের হার বেড়েছে ৮৫.২৪ শতাংশ আর মৃত্যুর হার বেড়েছে ৪২.৫৫ শতাংশ। 

সারাদেশে এখন করোনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা সবমিলিয়ে ২২৪টি। এর মধ্যে আরটিপিসিআর ল্যাব রয়েছে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে ১২০টি।যার মধ্যে সরকারি ৫২টি আর বেসরকারি ৬৮টি। জিন এক্সপার্ট ল্যাব রয়েছে সরকারি ২৯টি আর বেসরকারি ২টি। র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাব রয়েছে ৭৩টি। যার সবগুলোই সরকারি। 

রাজধানী ঢাকায় সরকারি আরটিপিসিআর ল্যাবগুলো হলো-

আর বেসরকারি পর্যায়ে স্কয়ার, ইউনাইটেড, এভারকেয়ার, আনোয়ার খান মডার্ণ, ল্যাবএইড, ইউনিভার্সেল মেডিকেলসহ ৬৮টি পরীক্ষাগার রয়েছে।

করোনা পরীক্ষার খরচ রয়ে গেছে আগের মতই। সরকারি পরীক্ষাগারে খরচ ১০০টাকা। আর বাসা বাড়ী থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিলে দিতে হবে ৩০০ টাকা। বেসরকারি পরীক্ষাগারে খরচ ৩০০০ টাকা। বাসা বাড়ী থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিলে দিতে হবে ৪৫০০ টাকা। আর অ্যান্টিজেন টেস্ট বিনামূল্যেই করছে সরকার।  

তবে করোনা পরীক্ষা করতে এখনো অনীহা রয়েছে অনেকেরই। ১৫১ টি আরটিপিসিআর আর জিন এক্সপার্ট পরীক্ষাগারের মধ্যে ২৭শে মার্চ ৩৯টি একটি নমুনাও পায়নি। আর ৭৩টি অ্যান্টিজেন পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ৪৯২টি। 

২৭শে মার্চ পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লাখ ৮৮ হাজার আটশো ত্রিশ জনের।




ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ২৯শে মার্চ, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন