• সোমবার, ১৬ মে ২০২২
  • রাত ১০:৩৫

কাল নাসিক নির্বাচন, নগর জুড়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা

কাল নাসিক নির্বাচন, নগর জুড়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা
আর মাত্র একদিন পরেই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রচারণা। এ নির্বাচনকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নারায়ণগঞ্জ সিটিতে টানা ১৮ দিনের জমজমাট প্রচার শেষে এখন ভোটের অপেক্ষা। শনিবার রাত পোহালেই কাল সকালে শুরু হচ্ছে ভোট গ্রহণ। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতি ছাড়াই ১৯২টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হবে। গতকাল শুক্রবার আনুষ্ঠানিক প্রচার শেষ হয়েছে।

নাসিক নির্বাচনে ১৯২টি ভোটকেন্দ্রে ও কেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাঁচ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।প্রতি কেন্দ্রে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ সদস্য। থাকবে পুলিশ ও র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স। যেকোনো অপ্রীতিকর অবস্থা তৈরি হওয়ার আগেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকবেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে এবারই প্রথম ১৯২টি কেন্দ্রের সবক'টিতে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে ২০১১ সালে এই সিটির ভোটে আংশিক ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মক ভোটিং শুরু হয়েছে। 

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মোট ওয়ার্ড ২৭টি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদরে ১৮ট এবং বন্দর উপজেলায় ৯টি। মোট ভোটার পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১। এর মধ্যে নারী ভোটার দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৬ এবং পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫১১। চারজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৯২টি। মেয়র পদের বিপরীতে লড়ছেন সাত প্রার্থী। সংরক্ষিত ৯টি নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের বিপরীতে লড়ছেন ৩৪ এবং ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের বিপরীতে লড়াইয়ে আছেন ১৮৯ জন।

১৮৭৬ সালে নারায়ণগঞ্জে পৌরসভা শুরু হয় এবং ২০১১ সালে পুরোনো নারায়ণগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ ও কদমরসুল পৌরসভাকে এক করে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা দেশের সপ্তম সিটি করপোরেশনে উন্নীত হয়। ২০১১ সালের ভোটে আওয়ামী লীগের 'বিদ্রোহী' প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী এক লাখ ৮০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামীম ওসমান পান ৭৮ হাজার ৭০৫ ভোট। ওই ভোটের শেষ মুহূর্তে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার কেন্দ্রের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে আইভী এক লাখ ৭৪ হাজার ৬০২ ভোটে আবার মেয়র নির্বাচিত হন। সেবার তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ১৫ই জানুয়ারী, ২০২২


সর্বশেষ

আরও পড়ুন