• শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১
  • বিকাল ৬:০৭

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে পরিবার।
সংবাদ সম্প্রসারণ

গতকাল মঙ্গলবার (২ মার্চ) খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর এ আবেদন করেন। পরিবার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। একইসঙ্গে, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে তার স্থায়ী জামিনের আবেদনও জানানো হয়েছে।

দুর্নীতি দুই মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপার্সনের দ্বিতীয় দফায় সাজা স্থগিতের মেয়াদ শেষ হবে ১৫ মার্চ। মেয়াদ শেষ হওয়ার ১১ দিন আগে আবারও সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করলো তার পরিবার।

এর আগে, গেল বছরের সেপ্টেম্বরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাজা স্থগিতের মেয়াদ ৬ মাসের জন্য বৃদ্ধি করে সরকার। সে সময়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আগের দুই শর্তেই সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। হিসেব অনুযায়ী চলতি মার্চ মাসেই ৬ মাসের সাজা স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

সে সময় স্বরাষ্টমন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, করোনার কারণে ৬ মাসে খালেদা জিয়ার পরিবার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে না পারায় তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

শর্ত অনুযায়ী খালেদা জিয়া সাজা স্থাগিত থাকাকালীন বিদেশে যেতে পারবেন না এবং নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

করোনা মহামারি শুরুর পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য দুই শর্তে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে সরকার। তারপর থেকেই রাজধানীর গুলশানে ভাড়া বাসা 'ফিরোজা' রয়েছেন খালেদা জিয়া।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান খালেদা জিয়া। পরে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আরও সাত বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয় আদালত।

এদিকে, সরকার খালেদা জিয়ার স্বাভাবিক চিকিৎসা নিশ্চিত করলে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় করোনার টিকা নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আজ বুধবার (৩ মার্চ) হাইকোর্টে সাংবাদিকদের একথা জানান কায়সার কামাল।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৩রা মার্চ, ২০২১


সর্বশেষ

ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণঃ

আরও পড়ুন