• শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১
  • সকাল ৬:৫০

গ্যারেজের অব্যবহৃত স্থানে মৎস্য খামার

গ্যারেজের অব্যবহৃত স্থানে মৎস্য খামার
চাঁদপুরে গ্যারেজের অব্যবহৃত স্থানে তৈরি করা হয়েছে মৎস্য খামার। এতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। অল্প জায়গায় বেশি মাছ উৎপাদন করে লাভবান হচ্ছেন গ্যারেজ মালিক মোহাম্মদ হানিফ গাজীর।

গ্যারেজের এ অংশটি ছিলো অব্যবহৃত। ইউটিউবে ভিডিও দেখে দুই বছর আগে সেখানে বায়োফ্লক্স পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেন গ্যারেজ মালিক মোহাম্মদ হানিফ গাজী।

মাত্র ১২ শতাংশ জমিতে নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরি করেন বায়োফ্লক্সের ৬টি বেড। এজন্য মাটির উপর রঙ্গিন প্লাস্টিক বিছিয়ে বক্স আকারে ট্যাংকি তৈরি করা হয়। সেখানে পাইপের সাহায্যে ডিপ-টিউবওয়েলের পানি সরবরাহের পাশাপাশি অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানসম্মত হওয়ায় অল্প জায়গা অনেক মাছ চাষ করতে পারছেন তিনি। 

এই মৎস্য খামারে চাষ হচ্ছে কই, পাঙ্গাশ, মনোসেক্স তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। খামারটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৭ লাখ টাকা। এখন বছরে আয় প্রায় এক লাখ টাকা।  

উদ্যোক্তা মো. হানিফ গাজী বলেন, জায়গাটি খালি থাকায় আমি মৎস্য চাষ শুরু করি। এখান থেকে আমি মোটামুটি একটা ভালো অর্থ আয় করতে পারছি। সামনে এই খামারকে আরও বড় করে করার ইচ্ছা আছে আমার।

হানিফ গাজীর খামারে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি ভাসমান মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন অনেকে।

শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ ধরনের মৎস্য খামার গড়ে তুলতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস মৎস্য বিভাগের। মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুল বাকী বলেন, এসব ছোট-খাটো কাজ করে আজকাল মানুষ আয়ের নানারকম পদ্ধতি বের করছে। এসব খামারের যখন যেটা প্রয়োজন সেই সাহায্য দিতে আমরা প্রস্তুত আছি।

এই ধরনের মৎস্য খামার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৯ই জানুয়ারী, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন