• শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২
  • রাত ২:৩৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে গলদা চিংড়ি চাষে সফলতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে গলদা চিংড়ি চাষে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় মৎসজীবীরা। মিশ্র বা কার্প জাতীয় মাছের সঙ্গে চিংড়ি চাষ করা যায় বলে উৎসাহিত অনেকে।

এদিকে, উৎপাদন বাড়াতে সব ধরনের সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে মৎস বিভাগ। প্রথমবার চাঁপানবাবগঞ্জে সরকারি প্রণোদনার আওতায় মিঠাপানির পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে গলদা চিংড়ি চাষ। 

মিশ্র বা কার্প জাতীয় মাছের সঙ্গেই এই চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের কারণে এরই মধ্যে আশানুরুপ বড় হয়েছে চিংড়িগুলো।   

জেলেরা বলছেন, গুড়া-ফিড খাওয়াতে হয়, দুমাসের ভিতরে বিক্রির উপযোগী হয়। এর মাসখানের পর হারভেষ্ট করলে ১ হাজার থেকে ১২শ' টাকা কেজি বিক্রি করা যাবে। তাতে আমার অর্ধেক লাভ আসবে। তবে কম মুনাফায় ঋণ পেলে আরও অনেকেই আগ্রহী হবে গলদা চাষে। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটি, পানি ও আবহাওয়া গলদা চাষের উপযোগী হওয়ায় সাফল্য মিলেছে বলে জানালেন মৎস কর্মকর্তারা। সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রশিক্ষণসহ আগামীতে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন তারা। 

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ রানা বলেন, 'যদিও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। চিংড়ি চাষিরা যদি একটু সাবধান হয় তাহলে অনেক ভালো কিছু আশা করা যায় চিংড়ি চাষে। এ পেশায় অনেকেই সফল হয়েছে।'

জেলা মৎস কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আমিমুল এহসান বলেন, 'চিংড়ি চাষে যারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং যারা ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রশিক্ষণসহ আগামীতে সব ধরণের সহায়তা করা হবে।'

পুকুরে গলদা চিংড়ির উৎপাদন বাড়াতে রাজশাহী বিভাগে এ বছর ৫ জন মৎসচাষিকে ৭ হাজার রেনুপোনা সরবরাহ করা হয়। 

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৪ঠা অক্টোবর, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন