• মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • রাত ১১:৫৬

'জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখবে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র'

'জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখবে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র'
জঙ্গিবাদ, মাদক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, সমাজের অন্যায় বা অনিয়ম রোধে চলচ্চিত্র বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশের নির্মাতাদের সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

রবিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান  অনুষ্ঠানের শুরুতেই  প্রধানমন্ত্রী তুলে দেন পুরস্কার। প্রবীণ চার শিল্পীকে আজীবন সম্মাননাসহ  চলচ্চিত্রে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে তুলে দেয়া হয় পুরস্কার।

পরে  সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি দমনে সরকারের চলমান অভিযানের অব্যাহত রাখার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন-এ ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, 'বর্তমান যুগে আপনারা জানেন যে ড্রাগ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি আমাদের সমাজকে ভীষনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে। শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে বা অভিযান পরিচালনা করেই কিন্তু সমাজকে এ থেকে রক্ষা করা যাবে না। এর জন্য দরকার মানুষের চেতনার জাগরণ। চলচ্ছিত্র এখানে একটা বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে।'

জাতির পিতা হত্যার পর চলচ্চিত্রে যে অপসংস্কৃতির চর্চা বেড়ে যায়, যা এখন অনেকটাই কমেছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, 'চলচ্চিত্রের সুটিং এর জন্যাই কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কালিয়াকৈরে জায়গা দিয়ে গিয়েছিলেন। অনেকটা পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। আমরা উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যে সে জায়গাটির কিছু পরিবর্তন করেছি। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ। আমরার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু করেছি। সেখানে যাতে সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা থাকে সে ব্যবস্থাটাও আমরা নিচ্ছি।'

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সিনেমা হলগুলোকে ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেয়া হলে  সরকারি সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন চলচ্চিত্র নির্মাণে তরুণদের ভাবনা ও মননশীলতাকে আরো বেশি কাজে লাগাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'গণমাধ্যমের উন্নয়নসহ দেশে অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে আরও নতুন নতুন প্রকল্প ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। শিল্প কলার সবগুলো মাধ্যমের সমন্বয়ে চলচ্চিত্র। সবচেয়ে শক্তিশালী গণমাধ্যম চলচ্চিত্র। এ মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষের চিন্তা-চেতনা, মননে পরিবর্তন আনা সম্ভব। আপনাদের পূর্বসূরীরা সেটা দেখিয়েছেন। সমাজ সংস্কার এবং মানুষের মনে গভীর দাগ কাটতে পারে এবং মানুষকে আরও সুন্দর পথে চলার প্রেরণা দিতে পারে এই চলচ্চিত্র। 

এ সময় বাংলা চলচ্চিত্রে বিভিন্ন বিষয়ের প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। 

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ০৫:০৫


সর্বশেষ

আরও পড়ুন