• রবিবার, ১৬ মে ২০২১
  • রাত ১২:৪২

ঝিনাইদহে পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তাচাষ

ঝিনাইদহে পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তাচাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেকেই। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন মুক্তাচাষে ঝুঁকছেন বেকার যুবকরা। দক্ষ মুক্তাচাষি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট। 

শিক্ষিত যুবক দেলোয়ার হোসাইন ২০১৭ সালে নিজের ২০ শতক পুকুরে শুরু করেন মুক্তার চাষ।

শুরুতে অনলাইনে দেখে দেখে শিখে, পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ নেন ময়মনসিংহ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে।

৮ থেকে ১২ মাসের মাথায় ঝুলন্ত প্রত্যেক ঝিনুকে দেখা মেলে মুক্তার আভাস। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ টাকার মুক্তা বিক্রি করেছেন এই উদ্যোক্তা।

দেশে-বিদেশে মুক্তার ভালো বাজার রয়েছে।  সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বড় পরিসরে এর চাষ সম্ভব বলে জানান দেলোয়ার।

মুক্তাচাষি দেলোয়ার হোসাইন বলেন,'দেশের চাহিদা মিটিয়ে আমরা যেন এক্সপোর্ট করতে পারি সেই দিকে দৃষ্টি দেয়া হোক। আমি চাই এই প্রকল্পটা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে যাক।'

দেলোয়ারের সাফল্যে মুক্তাচাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে অনেকে।  তার মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হওয়ায় খুশি এলাকাবাসী।

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুন্নেছা মিকি বলেন,'বেকাররা যারা এ প্রকল্প দেখবেন তারা আমরা মতোই উৎসাহিত হবেন।'

প্রতি পিস মুক্তা উৎপাদনে খরচ পড়ে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা আর বিক্রি হয় এক হাজার টাকার উপরে। মুক্তাচাষে অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে জানালেন সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা।

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জোয়াদুর রসুল জানান,'বেকার যুবক যারা, লেখাপড়া করে চারকি পাননি। এ কাজ করে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এলাকারও উন্নয়ন হবে।'

দক্ষ মুক্তাচাষি গড়তে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুল হোসাইন বলেন,'অল্প খরচে মুক্তা চাষ করা যায়। মাছ চাষের পাশাপাশি এটা করা যায়। এতে মাছের কোন ক্ষতি হয় না। এটা একটা বাড়তি আয়।'

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ২৯শে মার্চ, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন