• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • রাত ৩:১৭

ধ্বংসের মুখে দুবলহাটি রাজবাড়ি

ধ্বংসের মুখে দুবলহাটি রাজবাড়ি
সংরক্ষণের অভাবে ধ্বংসের মুখে দুবলহাটি রাজবাড়ি। ঝুঁকিপুর্ণ জানিয়ে সাইন র্বোড ঝুলিয়ে দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ।

সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে ধ্বংসের মুখে নওগাঁর দুবলহাটি রাজবাড়ি। গণপূর্ত বিভাগ ঝুঁকিপুর্ণ জানিয়ে সাইন র্বোড ঝুলিয়ে দিলেও প্রতিদিনই এটি দেখতে আসেন দর্শনার্থীরা। অন্যদিকে, সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে, রাজবাড়িতেই দুই মাসব্যাপি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উড়ন্ত শিল্পীগোষ্ঠী।    

একসময়ের জৌলুসপূর্ণ রাজবাড়িটির বর্তমানে এরকমই ভগ্নদশা। তার ওপর রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় পরিণত হয়েছে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে। দুবলহাটি রাজবাড়ির এ অবস্থার জন্য, দীর্ঘদিন সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা।  

৭টি আঙিনা ও ৩শ’টি ঘর সংবলিত রাজবাড়িটি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হলেও, প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। এমনকি, মানছেন না গণপূর্ত বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ নির্দেশক সাইনবোর্ড। দর্শনার্থীরা বলছেন, যথাযথ সংরক্ষণ ও সংস্কারে, এটি হতে পারে দেশের অন্যতম পযর্টনকেন্দ্র।  

এরই মধ্যে রাজবাড়ির ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে উড়ন্ত শিল্পীগোষ্ঠী নভেম্বর ও ডিসেম্বর, এই দুই মাসব্যাপি আয়োজন করছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর এতে অংশ নিচ্ছেন দেশ-বিদেশের ৩০ জনেরও বেশি শিল্পী, গবেষক।  

রাজবাড়ি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরতে শিল্পীগোষ্ঠির এমন আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন।

১৯৫০ সালে জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী স্বপরিবারে ভারতে চলে যাওয়ার পর, রাজবাড়িটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে অধিগ্রহণ করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ।  

১৭৯৩ সালে রাজা কৃষ্ণ নাথ লর্ড কর্ণওয়ালিসের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৪শ’ ৯৫ টাকা দিয়ে এই দুবলহাটি রাজবাড়ির পত্তন নিয়ে রাজ্য পরিচালনা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৮৫৩ সালে রাজা হরনাথ রায় রাজত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী সপরিবারে ভারতে চলে গেলে রাজবাড়িটি সরকারি সম্পত্তি হিসাবে অধিগ্রহণ করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ১৭ই ডিসেম্বর, ২০১৯
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ভোর ০৫:৪১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন