• বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
  • রাত ২:২০

পেঁয়াজের আরও চারটি নতুন জাত উদ্ভাবন

পেঁয়াজের আরও চারটি নতুন জাত উদ্ভাবন
পেঁয়াজের আরও চারটি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউটের অধীনে বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র।

সংকট মোকাবেলায় বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্রে পেঁয়াজের অন্তত ৪টি নতুন জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। কিন্তু যথাযথ বিপণনের অভাবে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করেন গবেষকরা।  

এছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে উৎপাদন প্রতি বছরই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও আমদানি নির্ভরশীলতা কমছে না।

বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্রের কৃষিবিদরা দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পেঁয়াজের মোট ৬টি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। আর এর মধ্যে সব শেষ বারি-৬ নামে উচ্চফলনশীল পেঁয়াজের নতুন জাত উদ্ভাবনের পর  গেলো বছর তা বাজারজাত করা হয়েছে।

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হামিদ রেজা বলেন, 'সঠিক বিপণন ব্যবস্থা না থাকায় উচ্চফলনশীল এসব নতুন জাতের পেঁয়াজ ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছালেও আমদানি নির্ভরতা কমছে না বলে মনে করেন গবেষকরা।'

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রের উপ-পরিচালক (বীজ বিপনন) জুলফিকার মোহাম্মদ সারোয়ার জাহান বলেন, দেশের পেঁয়াজ বীজের চাহিদার পুরোটা সরবরাহ করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। এছাড়া আবহাওয়ার কারণে কৃষকদের মজুদ করা পেঁয়াজের বড় একটা অংশ পঁচে যায়।'

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মোট চাহিদার মাত্র ২০ ভাগ বীজ চাওয়া হয় কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন- বিএডিসির কাছে। কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তাও দিতে পারে না বিএডিসির বীজ বিপণন বিভাগ।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোছাঃ রাহেলা পারভীন জানান, কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজের বীজ ও আবাদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে এবং আধুনিক সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হলে আমদানি নির্ভরশীলতা কমে আসতে পারে। চাষ ও সংরক্ষণে একটু সতর্ক হলেই পেঁয়াজেই স্বয়ংসম্পুর্ণতা আসবে আগামী মৌসুমেই।

পরিকল্পনা, চাষাবাদ ও সংরক্ষণে আধুনিকতা আনতে পারলে সারাবছর স্থিতিশীল রাখা সম্ভব পেঁয়াজের বাজার।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৫ই অক্টোবর, ২০১৯
আপডেটঃ বুধবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ০৪:০১


সর্বশেষ

ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণঃ

আরও পড়ুন