• শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
  • রাত ৯:৩৬

বিমা ব্যবসায় মুনাফার পাশাপাশি মানবসেবার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

বিমা ব্যবসায় মুনাফার পাশাপাশি মানবসেবার আহবান প্রধানমন্ত্রীর
মুনাফার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি গুরুত্ব দিতে বিমা কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, "শুধু মুনাফা অর্জনের দিকে না তাকিয়ে সমাজের প্রতি যে একটা দায়বদ্ধতা আছে, সে দিকে একটু বিশেষভাবে আপনারা দৃষ্টি দিবেন, সেটাই আমরা চাই।"

দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ১৫তম আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র বিমা সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া জলবায়ু বিপর্যয়জনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় ক্ষুদ্র বিমা স্কিম চালু করতে পারলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষ উপকৃত হবে বলেও জানান তিনি।

৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহনে তিন দিনব্যাপী ১৫তম ক্ষুদ্রবীমা সম্মেলনের প্রথমদিন ছিল মঙ্গলবার।  প্রধান অতিথি হিসেবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বীমাশিল্পের সঙ্গে নিজেদের পারিবারিক সংশ্লিষ্টরার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অপার্যপ্ত তথ্য বীমা গ্রাহকদের জন্য বড় সমস্যা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকদের এই সমস্যা সমাধানে সমন্বিত মেসেজিং এর প্লাটফর্মের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

"ক্ষেত্রবিশেষে গ্রাহকগণ অনেক সময় প্রতারিতও হন। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সমন্বিত মেসেজিং প্লাটফর্মের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে যা বীমাশিল্পের ইউনিফাইড ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্ম (ইউএমপি) নামে নামকরণ করা হয়েছে।"

প্রধানমন্ত্রী প্রাকৃতিক বিপর্যয়জনিত ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশে বীমা ব্যবস্থার প্রয়োগ এখনও অপ্রতুল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

"হাওর অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, এবং সার্বিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায়, প্রাথমিক পর্যায়ে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি নিরসনের লক্ষ্যে কৃষিবীমা চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ক্ষেত্রেও আমরা এটা করব।"

প্রবাসী কর্মী বীমা নীতিমালা জারি করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা বীমা সুবিধা পাবেন তারা।

"প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা প্রবর্তনের লক্ষ্যে 'প্রবাসী কর্মী নীতিমালা' জারি করা হয়েছে।  এতে প্রায় ১২ মিলিয়ন কর্মীর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করা সম্ভব হবে।"

উৎপাদন এবং অর্থনীতিকে ঝুকিমুক্ত রাখতে বীমা কোম্পানীগুলোকে আরও কার্যকর ভুমিকা পালন করার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, বীমা দাবী নিষ্পত্তিতে কর্তৃপক্ষের জিরো টলারেন্সের কারণে গত দুই বছরে আট হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি মেটানো হয়েছে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ১ মার্চ দিনটিকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাবনাটি বিবেচনার জন্য গ্রহণের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। 

 

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৫ই নভেম্বর, ২০১৯
আপডেটঃ বৃহঃস্পতিবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪০


সর্বশেষ

ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণঃ

আরও পড়ুন