• সোমবার, ১৬ মে ২০২২
  • রাত ৯:২৭

ভোলার তাড়ুয়া সৈকতের সৌন্দর্যে মুগ্ধ পর্যটকরা

ভোলার তাড়ুয়া সৈকত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি। এর রূপ আর সৌন্দর্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। পর্যটক ও স্থানীয়দের দাবি, সঠিকভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি আবাসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ানো গেলে এই সৈকত হতে পারে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।

পাখির ওড়াউড়ি, ঝাঁক ঝাঁক লাল কাঁকড়া, সমুদ্রের সৌন্দর্য, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বিরল দৃশ্য- এ সবই দেখা মিলবে তাড়ুয়ায়।

ভোলা থেকে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়ন থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার নদীপথ পাড়ি দিয়ে বঙ্গোপসাগরের একেবারে দক্ষিণের মোহনায় দেখা মিলে তাড়ুয়া সৈকতের।

পর্যটকদের যাতায়াত সুবিধার জন্য সম্প্রতি সৈকতে তৈরি করা হয়েছে কাঠের ল্যান্ডিং স্টেশন। বিশ্রাম নেয়ার জন্য বসানো হয়েছে রেস্টিং বেঞ্চ ও ছাতা। এছাড়াও পর্যটকদের রাত্রিযাপনের জন্য সৈকতের অদূরে কাঠের তৈরি অস্থায়ী দুটো রেস্ট হাউজ তৈরি করা হয়েছে।

আধুনিক রিসোর্ট, পাকা সড়ক, টিউবয়েলসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জনপ্রতিনিধিরও।

চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল সালাম হাওলাদার বলেন, এখানে পর্যটকদের সুবিধার জন্য একটা রিসোর্ট তৈরি করা খুবই দরকার। বিচ থেকে শুরু করে রিসোর্ট পর্যন্ত একটা রাস্তা খুবই জরুরি।

তাড়ুয়ার পর্যটনের অপার সম্ভাবনার কথা জানান বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আমিন উল আহসান। তিনি বলেন, আমরা যদি এখানে পর্যটকদের জন্য কিছু সুযোগ-সুুবিধার ব্যবস্থা করতে পারি এই এলাকাকে কেন্দ্র করে যে পর্যটন সম্বাবনা সেটা পূরণ হয়ে যাবে।

একটু মনোযোগ আর গুরুত্ব পেলে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হবে তাড়ুয়া সৈকত, এমনটাই মত স্থানীয় ও পর্যটকদের।  

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ২৪শে জানুয়ারী, ২০২২


সর্বশেষ

আরও পড়ুন