• বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
  • রাত ২:২৯

মাছের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে চলনবিলের স্বাদু পানির শুটকি

মাছের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে চলনবিলের স্বাদু পানির শুটকি
দেশি প্রজাতির মাছের অভাবে শুটকি উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এক সময় সিরাজগঞ্জের চলনবিলে ব্যাপকহারে স্বাদু পানির শুটকি উৎপাদিত হতো। স্বাদু পানির শুটকি মাছের কদর রয়েছে সারা দেশে। সাধারণত আশ্বিন থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের চলনবিলে চলে শুটকি উৎপাদন হয়। জেলায় প্রতি মৌসুমে ২৬ প্রজাতির প্রায় দেড়শো থেকে ২শ' মেট্রিক টন শুটকি উৎপাদিত হয়।

এ সব চাতালে টেংরা, পুটি, খলসে, বাতাসী, চেলা, মলা, ঢ়েলা, টাকি, গুতুম, চিংড়ি, টাকি ইত্যাদি মিঠা পানির সুস্বাদু মাছ শুটকি করা হয়। চলনবিলের শুঁটকির কদর রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

মাছ সংগ্রহের পর দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এ শুটকি প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু একদিকে প্রধান উপকরণের দাম বাড়তি আর অন্যদিকে শুটকির দাম কমে যাওয়ায় কোনভাবেই পুষিয়ে উঠতে পারছেন না এর সাথে সংশ্লিষ্টরা। শুটকি প্রক্রিয়াজাতের সাথে জড়িত ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ। 

তাদের অভিযোগ, নানা সমস্যার কারণে অর্ধেকেরও বেশি চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। এজন্য শুটকির বাজারমূল্য কমে যাওয়া। সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

তবে শুটকি তৈরির সঙ্গে জড়িতদের জীবনমান উন্নয়নে নানা উদ্যোগের কথা জানিয়েছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।

সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সাহেদ আলী জানান, 'চলনবিলের পানি ধীরগতিতে নিষ্কাশিত হলেও এ বছর কয়েক দিনের মধ্যে বিল থেকে পানি নেমে যাওয়ায় অন্যান্য বছরের মতো মাছ ধরা পড়েনি। তাছাড়া আশ্বিনের শেষে বৈরী আবহাওয়ার কারণে পানি দ্রুত নামলেও মাছ ধরতে পারেনি জেলেরা। ফলে মাছ শুটকি করাও সম্ভব হয়নি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, 'শুটকি উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা দূর করে জেলেদের প্রশিক্ষণ ও বাজার সম্প্রসারণ সহ নানা উদ্যোগ নিয়েছি।’

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৫ই অক্টোবর, ২০১৯
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ২২শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ০৭:৪১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন