• শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  • দুপুর ১১:৫৮

মুজিববর্ষের উপহার ৫৬০টি মডেল মসজিদ

মুজিববর্ষের উপহার ৫৬০টি মডেল মসজিদ
মুজিববর্ষে দেশব্যাপী তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজও। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়ের এই প্রকল্প।

দেশের প্রতি জেলা-উপজেলায় ৪০ শতাংশ জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে চার ও তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন ১২শ' মুসল্লি। আর উপজেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন নয়শ মুসল্লি।

এরইমধ্যে অনেক মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যে বেশ জোরেশোরেই চলছে কাজ। আধুনিক নির্মাণশৈলী আর নান্দনিক এই মসজিদগুলোর ১৭০টির উদ্বোধন হবে এ বছরেই। এপ্রিলের প্রথম পর্যায়ে ৫০টি মসজিদের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফারুখ আহমেদ বলেন, 'এলাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তারা ভাবতেও পারেনি যে এতো সুন্দর মসজিদ হবে। এতে তারা অনেক খুশি।'

রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, 'মানুষ যখন ধর্মটাকে ভালোমতো জানতে পারবে তখনই জঙ্গিবাদ বা নৈতিক মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে তা অনেক কমে যাবে। এই মসজিদগুলো এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।'

একসঙ্গে এত মসজিদ নির্মাণের ঘটনা দেশে এই প্রথম। এতে ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্তি ও ধর্মের অপব্যাখ্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি, প্রকৃত ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ও চর্চা হবে বলে মনে করেন ইমামেরা। মসজিদের ইমামেরা বলেন, মসজিদে শুধু ইবাদত বন্দেগী করাই নয়, বরং এর মাধ্যমে আমরা সমাজে ইসলামের সংস্কৃতিও  ছড়িয়ে দিতে পারবো। এই মসজিদগুলো জঙ্গিবাদ দমনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।

সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে আট হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এসব মসজিদ। অত্যাধুনিক এসব মসজিদে থাকছে হজ নিবন্ধন, ইমাম ও মুয়াজ্জিনের ট্রেনিং সেন্টার, শিশুদের আরবি শেখার সুযোগ, মরদেহ গোসল, অটিজম কর্ণার, শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রসহ বিশাল হেফজখানা। যেখান থেকে প্রতিবছর ১৪ হাজার হাফেজ তাদের হেফজ শেষ করতে পারবে।

মডেল মসজিদ প্রকল্পের পরিচালক নজিবর রহমান বলেন, 'পদ্মা সেতুর মতো এটিও একটি বড় প্রকল্প। দেশের দ্বিতীয় বড় প্রকল্প এটি। যা সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে।'

মসজিদের পাশাপাশি প্রতিটি সংসদীয় আসনে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ৩টি করে মাদ্রাসা। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত চারতলা বিশিষ্ট এসব মাদ্রাসায় ছেলে-মেয়েদের জন্য থাকছে আলাদা পাঠদান ব্যবস্থা। থাকবে কম্পিউটার ল্যাবসহ ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার সব রকম উপকর‌ণ।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১
আপডেটঃ শুক্রবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ০৯:০৩


সর্বশেষ

ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণঃ

আরও পড়ুন