• বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০
  • দুপুর ১০:২৩

যেভাবে বুঝবেন করোনা নাকি সাধারণ ফ্লু

যেভাবে বুঝবেন করোনা নাকি সাধারণ ফ্লু
আবহাওয়া বদলের সময় ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি একটু বেশিই দেখা দেয়া। এটা এ সময়ের খুব স্বাভাবিক চিত্র। এদিকে করোনার আতঙ্ক সবার মনে।

তবে সর্দি-কাশি হলেই যে ঘরে বন্দি থাকতে হবে তা কিন্তু নয়। তবে আতঙ্ক ঘিরে রেখেছে সবাইকে। এখন কী করে বুঝবেন এটি সাধারণ সর্দি-কাশি নাকি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ? চলুন জেনে নেয়া যাক-

জ্বর-সর্দি-হাঁচি-কাশি হলে অন্যান্যবারের মতোই ঘরোয়া উপায় মেনে চলুন। ঘরে শুয়ে-বসে বিশ্রাম নেবেন। হালকা খাবার খাবেন। হালকা গরম পানি খাবেন পর্যাপ্ত। দরকার হলে অল্প মাত্রায় প্যারাসিটামল, কাশির ওষুধ খাবেন। হাঁচি-কাশির সময় পরিষ্কার রুমাল ব্যবহার করবেন। শিশু, বয়ষ্ক ও গর্ভবতীদের থেকে দূরে থাকবেন। এটুকু করলেই ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমেই ভাইরাসকে কাবু করা যাবে। তখন বুঝতে হবে এটা সাধারণ ফ্লু-ই ছিল।

চিকিৎসকদের মতে, এই ভাইরাস যদি ১০০ জনকে সংক্রামিত করে তার মধ্যে ১৫-২০ জনের অবস্থা জটিল হয়। বিপদ হয় দু-এক জনের। বাকি ৮০-৮৫ শতাংশ মানুষের সাধারণ ভাইরাস সংক্রমণের মতো উপসর্গ হয়। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে তা নিজের নিয়মেই কমে যায়। তবে এরা অসুস্থ শরীরে রোগ ছড়াতে পারে। কিন্তু তাতেও উদ্বেগের কিছু নেই।

প্রথমত, রোগ হলেও ৮০-৮৫ শতাংশ সম্ভাবনা যে আপনি প্রথম প্রথম অসুখটা টেরও পাবেন না। কাজেই রোগ হচ্ছে এমন কোনো জায়গায় যদি সফর না করে থাকেন, তা হলে নূন্যতম সচেতনতা মেনে চললেই হবে।

যে বিষয়ে খেয়াল রাখবেন-

রোগের উপসর্গ দেখা দেয়ার পর ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা যেতে পারে। তার পর যদি দেখা যায় উপসর্গ কমার বদলে বাড়ছে, প্রবল জ্বর উঠছে বা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রক্তচাপ কমে মাথা ঘুরছে, প্রলাপ বকতে শুরু করছেন, তাহলে তা বিপদের লক্ষণ।

যদি কারও হার্ট-কিডনি-লিভারের ক্রনিক অসুখ না থাকে, বা কোনো অসুখ বা ওষুধের কারণে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে না যায় কিংবা বয়স খুব বেশি না হয়, তাহলে ভয় নেই।

এখনও পর্যন্ত এ রোগের প্রতিষেধক বা নির্দিষ্ট ওষুধ কিছু নেই। উপসর্গ হলে তবে তা কমানোর চিকিৎসা করা হয়। আর এতেই ৯৭-৯৮ শতাংশ মানুষ সেরে যান।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ১১ই মার্চ, ২০২০
আপডেটঃ বুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ০২:২০


সর্বশেষ

আরও পড়ুন